ইব্রাহীমিয়া আমীনিয়া মহিলা মাদরাসার একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও রুটিন

দৈনন্দিন আমল ও রুটিন:

মাদ্রাসার ছাত্রীদের ইলম, আমল ও চরিত্র গঠনের জন্য একটি সুশৃঙ্খল দৈনন্দিন রুটিন অনুসরণ করা হয়।”

সময় কার্যক্রম
 শেষ রাত তাহাজ্জুদ নামাজ এবং আল্লাহর দরবারে মুনাজাত
ফজরের পর – সকাল ৮:০০ ফজরের নামাজ, যিকির, কোরআন তিলাওয়াত, কেরাত, আদিয়ায়ে মাসনুনাহ,

মাশক, ইশরাকের নামাজ ও নাস্তা

 সকাল ৮:৩০ – দুপুর ১:১৫ নিয়মিত ক্লাস
যোহরের সময় অযু-গোসল, যোহরের নামাজ, খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম
 দুপুর ২:৩০ – বিকাল হাতের লেখা অনুশীলন, তাকরার (পাঠ পুনরাবৃত্তি) ও কোচিং
 আসরের পর আসরের নামাজ, খতম, যিকির, তা’লীম এবং ছোটদের হামদ-নাত চর্চা
 মাগরিবের পর আওয়াবীনের নামাজ
 মাগরিব – রাত ৯টা সবক শেখা এবং নতুন পাঠ মুতালা
 ইশার পর ইশার নামাজ, খাবার গ্রহণ, কিতাব অধ্যয়ন ও রাতের আমল শেষে বিশ্রাম

পরীক্ষা পদ্ধতি ও ছুটির তালিকা

পরীক্ষা পদ্ধতি

মাদ্রাসায় শিক্ষার মান যাচাই করার জন্য নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়। যেমন—

  • সাপ্তাহিক পরীক্ষা
  • মাসিক পরীক্ষা
  • ১ম সাময়িক পরীক্ষা
  • ২য় সাময়িক পরীক্ষা
  • বার্ষিক পরীক্ষা

সাপ্তাহিক পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত মৌখিকভাবে জানানো হয়। অন্যান্য পরীক্ষার ফলাফল রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয় এবং রেজাল্ট কার্ডের মাধ্যমে ছাত্রীদের হাতে প্রদান করা হয়।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পরীক্ষার কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে মাদ্রাসার সকল বকেয়া পরিশোধ করা আবশ্যক

সকল ছাত্রীকে প্রতিটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

ছুটির তালিকা

মাদ্রাসায় বছরে নির্ধারিত কিছু ছুটি রয়েছে।

  • ঈদুল আযহার ছুটি: ১২ দিন
  • ১ম সাময়িক পরীক্ষার ছুটি: ৭ দিন
  • ২য় সাময়িক পরীক্ষার ছুটি: ৭ দিন

কিতাবখানার বার্ষিক পরীক্ষা সাধারণত রমযানের পূর্বে অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী ছুটির সময় নির্ধারণ করা হয়।

অন্যান্য কর্মসূচী:

  • সপ্তাহে একদিন তারবিয়াতি তা’লীম।
  • জুমার রাতে নফল নামাজ ও বিশেষ আমল।
  • জুমার দিন আসরের পর দরুদ শরিফ খতম ও দোয়ার আমল।
  • জুমার দিন পেছনের ছবক মুখস্থ করা, সামনের প্রস্তুতি নেওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং আসরের পর সাপ্তাহিক আমল ও দোয়া।
  • প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত ছাত্রীদের নিয়ে তা’লীমের ব্যবস্থা।
  • বয়স্কাদের জন্য সহিহ-শুদ্ধরূপে কুরআন শরিফ, নামাজ ও মাসায়েল শিক্ষার ব্যবস্থা।
  • রমজানের ১ দিন পূর্বে (অর্থাৎ ২৯ শাবান) থেকে ২৪ রমজান পর্যন্ত হিফজ, নাজেরা, নূরানি ও মুয়াল্লিমা ট্রেনিং। এছাড়া সব বিভাগের কায়দা, আমপারা, কুরআন শরিফ ও নাহু-সরফসহ কঠিন বিষয়াদি গুরুত্ব সহকারে পড়ানো হয়।